আমার শখের কোরআন মাজীদ

৳ 1,200.00

আমার শখের কোরআন মাজীদ

(বিশ্বের সর্বপ্রথম আল কোরআন একাডেমী প্রকাশিত আদেশ নিষেধ দোয়া ইত্যাদি কালার কোডেড কোলকাতা হরফে অনুবাদসহ বড় অক্ষরে ও আর্ট পেপারে প্রিন্ট)

আল কোরআন একাডমী পাবলকশিন্সে এর সুদীর্ঘ গবষণা নিসৃত হাজার বছররে কোরআন মুদ্রণরে ইতিহাসে এই প্রথম- বিষয়ভিত্তিক কালার নির্ধারণ করে কোরআনরে এটি এক বিস্ময়কর প্রকাশনা।

জীবনভর অসংখ্যবার শখের জায়নামাযে নামায পড়েছি, শখের কলম দিয়ে হাজার হাজার পৃষ্ঠার বই লিখেছি, শখের চশমা দিয়ে প্রাণভরে পৃথিবী দেখেছি, কিন্তু তারপরও মনে হচ্ছিলো ‘শখ’ যেন আমাদের অপূর্ণই রয়ে গেছে। বলতে দ্বিধা নেই, সে অপূর্ণ শখের বাস্তব অভিব্যক্তিটুকুই হচ্ছে আমাদের উপস্থাপিত আল্লাহর তায়ালার সর্বশেষ কালাম, মানব সন্তানের একক সংবিধান ‘আমার শখের কোরআন মাজীদ’

এই কোরআন মাজীদটি সকল বয়সী মানুষের জন্যে খুবই সুন্দর ও উপকারী। যারা কোরআন মাজীদ থেকে আল্লাহর বাণী বুঝতে আগ্রহী, তাদের জন্যে আল কোরআন একাডেমী পাবলিকেশন্স এর সবচেয়ে বড় অক্ষরের কোরআন মাজীদ। সকল বয়সী মানুষের জন্য সহজবোধ্য ও কালার কোডেড কোলকাতা হরফে ও আর্ট পেপারে ছাপা।

আমার শখের কোরআন মাজীদ ঃ সহজ সরল বাংলা অনুবাদ

আমার শখের কোরআন মাজীদ! হাঁ, সত্যিই এটি হয়েছে আমার শখের কোরআন মাজীদ। আমার একার কথাই বা বলি কেন-বিশ্বের প্রায় দেড়শ’কোটিমানবসন্তানেরওএটি হয়েছে একমাত্র শখের কিতাব। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে হেরা গুহায় যেদিন আল্লাহর বার্তাবাহক হযরত জিবরাঈল নবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের ওপর এই কিতাব নাযিলের সূচনা করলেন সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত আরব আজমের হাজার হাজার কোটি মানুষেরও এটি একান্ত শখের কিতাব। এটি উম্মতে মুসলিমার সর্বাধিক সম্মানের কিতাব। সর্বাধিক মানুষের পঠিত, সর্বাধিক মানুষের অন্তরে ধারণকৃত কিতাব। এটা ঐতিহাসিক সত্য যে, মানবমন্ডলীর সমগ্র ইতিহাসে অন্য কোনো গ্রন্থ-ই এতো সম্মান অর্জন করতে পারেনি। গোটা মানব সন্তানের জীবনেও অন্য কোনো গ্রন্থ এতো সুদূরপ্রসারী বিপ্লব, এতো স্থায়ী পরিবর্তন আনয়ন করতে সক্ষম হয়নি। ইতিহাসের কোনো কালেই কোনো গ্রন্থমানব জাতির পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এতো বড়ো ঝাঁকুনি দিতে সক্ষম হয়নি। এ ভূমন্ডলেরবাসিন্দাদেরচিন্তাধারা, তাদের কার্যপ্রণালী, সভ্যতা সংস্কৃতির গোটা নকশাটাও কোরআনের মতো করে অন্য কোনো গ্রন্থবদলে দিতে পারেনি। এমনি একটি গ্রন্থ কে শখের না বলে আমি আর কোন্ গ্রন্থকে শখের বলবো!

গত অর্ধ শত বছর ধরে অসংখ্যবার শখের জায়নামাযে নামায পড়েছি, শখের কলম দিয়ে হাজার হাজার পৃষ্ঠার বই লিখেছি, শখের চশমা দিয়ে প্রাণভরে পৃথিবী দেখেছি, কিন্তুতারপরও মনে হচ্ছিলো‘শখ’যেনআমাদেরঅপূর্ণইরয়েগেছে।বলতেদ্বিধানেই, সে অপূর্ণ শখের বাস্তব অভিব্যক্তিটুকুই হচ্ছেআমাদেরউপ¯’াপিত আল্লাহ তায়ালার সর্বশেষ কালাম মানব সন্তানের একক সংবিধান ‘আমারশখেরকোরআনমাজীদ’! এরআগেওএকাধিকবারপৃথিবীরবিভিন্নজায়গায়বিভিন‘শখেরকোরআন’তৈরীহয়েছে।বিপুলপরিমাণঐশ্বর্যযাদেররয়েছে, তারা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কোরআনের জন্যে তাদের শখ মিটিয়েছেন। পিতার জন্মদিনে তোহফা দেয়ার জন্যে এমনি এক কপি শখের কোরআন বানিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমীরাতের এক যুবরাজ। ১৪ টন ওযনের এই কোরআনের পাতায় খাঁটি সোনাই ব্যবহৃত হয়েছিলো ৪ টন। কোটি কোটি ডলারের বিনিময়ে সেখানে এ বিশাল শখের কোরআন তৈরী করা হয়েছে, কিন্তুআমাদের ভান্ডারে তো এতো সোনা দানা নেই, এতো বিপুল পরিমাণ ডলারও নেই, এতো বিত্ত বৈভবের কিছুই আমাদের নেই। আমরা আমাদের শখ পূরণের জন্যে কোরআনের মালিক আল্লাহ তায়ালার সামনে আমাদের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এই কোরআনের কপিটিই নিবেদন করছি। হে মালিক, তুমি আমাদের এ নিবেদন কবুল করো।

‘আমার শখের কোরআন মাজীদ’যখনআমরাহাতেনেবোতখনআমাদেরদৃষ্টিসহজেইকোরআনেরএমনকয়টিবিষয়েরওপরগিয়েপড়বেযাকোরআনেরএকজনপাঠকহিসেবেআমাদেরপ্রত্যেকেরইজানাএকান্তজরুরী।কোরআনগবেষকদেরমতেকোরআনেরমৌলিকবিষয়সমূহেরমধ্যেহালালহারামওআল্লাহরআদেশনিষেধইহচ্ছেসবচেয়েবেশীগুরুত্বপূর্ণ।কোরআনেরপাতাখুললেইকোরআনেরএইমৌলিকবিষয়গুলোরওপরসহজেইযেনএকজনপাঠকেরনযরপড়ে, সে জন্যেই কোরআনের এই অনন্য সাধারণ কপিটি আমরা প্রকাশ করতে যাচ্ছি।আরযতোবারএকজনপাঠকেরকোরআনেরহালালহারামওআদেশনিষেধেরওপরনযরপড়বে, ততোবারই আশা করা যায় ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও তার মনে এগুলো মেনে চলার একটা তাগিদ অনুভূত হবে। কোরআনের আয়াতসমূহে নির্দিষ্ট কালার দিতে গিয়ে আমরা প্রথমেই অনুভব করলাম যে, যে সত্তা কোরআনের পাতায় পাতায় মানব সন্তানের কল্যাণের জন্যে হালাল হারাম ও আদেশ নিষেধগুলো জারি করেছেন, সেই মহান আল্লাহ তায়ালার পবিত্র নামকেই বরং আগে আকর্ষণীয় রং-এ সাজানো দরকার। এ মহান লক্ষ্য সামনে রেখেই আমরা কোরআনের পাতায় শুধু ‘আল্লাহ’শব্দটিরগায়েভিন্নএকটিরং-এরতুলিবসিয়েছি।কোরআনেআল্লাহতায়ালাতাঁরদরবারেদোয়ারভাষাহিসেবেযেআয়াতগুলোনাযিলকরেছেন, তার প্রতি চিরদিন একজন পাঠকের আগ্রহ ছিলো। সে আগ্রহের জন্যে বর্তমান সংস্করণে আমরা দোয়ার আয়াতগুলোতে হাল্কা নীল রং দিয়েছি। আকাশের রং আকাশের মালিকের কাছে কিছু চাওয়ার প্রেরণা জোগাবে-এটাই কামনা করি। আমি জানি, কোরআনের সামগ্রিক আবেদনের মতো কখনো এর অংগ সৌষ্ঠব থেমে থাকবে না। আমরা আজ যেভাবে বিষয়সমূহকে বিভিন্ন রং দিয়ে সাজিয়েছি, আগামীতে এর আরো উন্নতি ঘটবে এবং ক্রমবর্ধমান ব্যবহারিক প্রয়োজনে আগামী প্রজন্ম একে আরো সুন্দর, আরো নতুন থেকে নতুন রংয়ের আঁচড় পরিয়ে আরো আকর্ষণীয় করে পেশ করতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির যে হারে উন্নতি হচ্ছেতাতেকোরআনেরঅংগসাজযেদিনেদিনেআরোসুন্দরহবেতাতেকোনোসন্দেহথাকারকথানয়।

<ঋ০০০>কোরআনের পাতায় বিষয়সমূহের চিহ্নিতকরণ ও তাতে যথাযথ রংয়ের প্রয়োগ করার বিষয়টিকে আমরা প্রথমে যতো সহজ মনে করেছিলাম-কাজে নামার পর বুঝা গেলো বিষয়টি মোটেই তেমন সহজ কাজ নয়। প্রথমেই হালাল হারাম ও আদেশ নিষেধ চিহ্নিত করতে গিয়ে আমরা ভীষণ সংকটের সম্মুখীন হয়েছি। কোরআনে এমন বহু আয়াত আছে যা বাহ্যিকভাবে আদেশ কিংবা নিষেধ মনে হলেও তার মর্মার্থ কিন্তুআদেশ কিংবা নিষেধের আওতায় পড়ে না। কোরআনে এমন অনেক আয়াত রয়েছে যেখানে বাহ্যিকভাবে আদেশসূচক বাক্য ব্যবহার করা হলেও তা কিন্তুকোনো আদেশ দেয়ার জন্যে নাযিল করা হয়নি। যেমন অতীতের নবীদের ঘটনা আলোচনার ক্ষেত্রে (ওয়াযকুর) ‘স্মরণকরো’ (ওয়াতলু) ‘পড়েশোনাও’এধরনেরকিছুআদেশসূচকশব্দএসেছে।এমনিভাবেকাফেরদেরহঠকারিতারকারণেধমকদিয়েবলাহয়েছে‘(হেনবী) তুমিতাদেরছেড়েদাও, তারা (কিছুদিন) খেয়ে দেয়ে ভোগবিলাস করে নিক।’ (সূরাআলহেজর৩) এখানেআদেশসূচকবাক্যব্যবহারকরাহলেওএটাকিন্তুকোনো আদেশের আয়াত নয়। আবার বিশেষ কোনো আলোচনার প্রেক্ষাপটে নিষেধসূচক বাক্য ব্যবহার করা হলেও তা কিন্ত