| শহীদে মেহরাব
হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব
‘প্লামস্টেড মাসজিদ ও উলউইচ ইসলামিক সেন্টার’ লন্ডন শহরের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাণবন্ত মুসলিম কমিউনিটি এরিয়া। লন্ডনে আমার সুদীর্ঘ কর্মজীবনের এক পর্যায়ে কিছুদিন আমি এই এলাকার ‘প্লামস্টেড হাই স্কুলে’ একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর কিছু ক্লাস নিয়েছিলাম। এ কাজটা ছিলো আমার হোম অফিসের মূল চাকুরীর বাইরে শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে একটি অতিরিক্ত দায়িত্ব। আমার সে বিশেষ শিক্ষা কর্মসূচীরই এক সাথী ছিলেন মোহাম্মদ আইয়ূব। মোহাম্মদ আইয়ূব উলউইচ মাসজিদের নানা কর্মকান্ডের সাথেও সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
বছর দু’য়েক আগের কথা, রমযানের ‘লাইলাতুল কদরে’ কোরআনের ওপর একটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান মেহমান হয়ে আমি তাদের মাসজিদে গিয়েছিলাম। আলোচনার শেষে জনাব আইয়ুব চায়ের আসরে আমাকে বার বার একটি বইয়ের কথা জিজ্ঞেস করলেন, জানতে চাইলেন বইটি আমি কখনো দেখেছি কিনা, কিন্তু বার বার চেষ্টা করেও আমি এমন কোনো নাম মনে করতে পারছিলাম না। তিনি এমনভাবে বইটির প্রশংসা করলেন যে, আমি বইটি পড়ার লোভ সংবরণ করতে পারলাম না। কিন্তু সে সময় আমার বাংলাদেশে আসার কারণে বইটি হাতে পেতে বেশ কিছু দিন এমনিই দেরী হয়ে গেলো। তিন মাস পর বইটি আমি হাতে পেলাম। এর নামটিই আমাকে প্রথমে এর প্রতি আকৃষ্ট করে ফেললো। কি চমৎকার নাম। ‘শহীদুল মেহরাব হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব’। অবশ্য নামের কথা বাদ দিলেও এর প্রতি আকৃষ্ট হবার আরেকটি কারণ ছিলো, আর তা হচ্ছে এই গ্রন্থের মহান রচয়িতা ‘আল ইখওয়ানুল মোসলেমুন’-এর এক সময়ের ‘মোর্শেদে আম’ সাইয়েদ ওমর তেলমেসানীর প্রতি আমার অকুন্ঠ ভালোবাসা।
বিগত শতাব্দীর মাঝপথে এসে আফ্রিকান আরবরা যখন নবী মুসা (আ.)-এর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেরাউন ও সামেরীদের কুফুরী ও পৌত্তলিক জীবনধারার দিকে ঝুঁকে পড়ছিলো তখন তাদের সে ভ্রান্ত গতিপথকে আবার সঠিক ধারায় নিয়ে আসার জন্যে অমর শহীদ হাসান আল বান্নার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘আল ইখওয়ানুল মোসলেমুন’। ইখওয়ান ছিলো মিথ্যার সয়লাবের সামনে সত্যের একটি বলিষ্ঠ বাঁধ। এই বাঁধ নির্মাতাদের দলে শহীদ হাসানুল বান্নার সাথে তখন আরো যারা শামিল ছিলেন তারা হলেন হাসানুল হোদায়বী, ওমর তেলমেসানী ও শহীদ সাইয়েদ কুতুব প্রমুখ চিন্ত নায়করা। হাসানুল বান্নার নির্মম শাহাদাতের পর হাসানুল হোদায়বী দলের ‘মোর্শেদে আম’ নির্বাচিত হলেন, তারপর মোর্শেদে আম নির্বাচিত হলেন সাইয়েদ ওমর তেলমেসানী।
সাইয়েদ ওমর তেলমেসানী ছিলেন আরব আজমে পরিচিত কোরআন হাদীস ও ইসলামী জ্ঞান ভান্ডারের একজন শীর্ষস্থানীয় পন্ডিত ব্যক্তি। তার মতো একজন যুগ শ্রেষ্ঠ মোজাহেদের কলম নিঃসৃত পুস্তকের প্রতি আমার আগ্রহ ও ভালোবাসা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ‘শহীদুল মেহবার ওমর ইবনুল খাত্তাব’ এই মূল বইটি আরবী ভাষায় লেখা তাও আবার লেখা পান্ডিত্যপূর্ণ আরবী ভাষায়। আমাদের দেশের অনুবাদ সাহিতো উন্নত মানের আরবী থেকে বাংলায় রূপান্তরের বিষয়টি এখনো তেমন সহজবোধ্য হয়ে উঠেনি। অপর দিকে ইসলামী সাহিত্যের মৌলিক উপাদানগুলো রয়েছে বলতে গেলে প্রায় সবই আরবী ভাষায়, তাই আরবী ভাষায় প্রচুর ব্যুৎপত্তি না থাকলে অনুবাদ শিল্পের কার্যকারিতা তাতে রক্ষা করা সম্ভব হয় না। ‘আল কোরআন একাডেমী লন্ডন’ বাংলাদেশ সেন্টার তার যাবতীয় অনুবাদকর্মে অনুবাদের এই বিশেষ দিকটির প্রতি বিশেষ যত্মবান হয়েছে। বিভিন্ন অনুদিত অংশের সম্পাদনার ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আমার এতো বেশী সময় ব্যয় হয়েছে যে, একেক বার মনে হয়েছে এর চাইতে কম সময় ব্যয় করে সম্ভবত আমি নিজেই তার অনুবাদ করে ফেলতে পারতাম। এক্ষেত্রে অনেকেই আবার মনে করেন যে, উর্দুভাষী ভাইয়েরা আমাদের কাজকে কিছুটা সহজ করে দিয়েছেন। জটিল আরবী গ্রন্থের অনুবাদের সময় তারা কখনো কখনো একই গ্রন্থের উর্দু অনুবাদের সাহায্য নেন। কিন্তু তাও যে আবার সবসময় সমস্যামুক্ত হয় এমন নয়। উর্দু বইর সাহায্য নিয়ে যে সব অনুবাদ করা হয় তাকে যখন মূল আরবীর সাথে মিলিয়ে সম্পাদনা করতে হয় তখন প্রায়ই দেখা যায় গ্রন্থটির সরাসরি অনুবাদ না হওয়ার কারণে মূল রচনার সাথে যথাযথ ইনসাফ করা হয়নি। সে ক্ষেত্রে আরবী গ্রন্থের সাথে মিলিয়ে সম্পাদনা করা আসলেই একটা দুরূহ কাজ হয়ে পড়ে, এটা যেমনি কষ্টসাধ্য, তেমনি সময় সাপেক্ষ ব্যাপারও বটে। এতে পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট ছকের ভেতর বই প্রকাশনা দারুণভাবে বিঘ্নিত হয়। ‘শহীদে মেহবার হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব’-এর প্রকাশনা অহেতুক বিলম্বের এটা প্রধান কারণ না হলেও অন্যতম একটা কারণ যে ছিলো- তাতে সন্দেহ নাই।
হযরত আবু বকর (রা.) ছিলেন আল্লাহর রসূলের সুযোগ্য উত্তরসূরী ও মুসলিম জাতির প্রথম খলিফা। মুসলিম জাতির সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যার পেছনে দাঁড়িয়ে স্বয়ং আল্লাহর নবী নিজে নামায আদায় করেছিলেন। আবু বকর (রা.)-এর পেছনে দাঁড়িয়ে রসূলুল্লাহর নামায আদায় যে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিলো না এটা রসূল (স.)-এর জাঁ-নেসার সাহাবীরা ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন। এ কারণেই রসূলুল্লাহর তিরোধানের পর শোকাহত জনসাধারণ ঐকমত্যের ভিত্তিতেই হযরত আবু বকর (রা)-কে খলীফা নির্বাচন করে নেন।
আল্লাহর নবীর পর এই ভূমন্ডলের সর্বোৎকৃষ্ট মানুষ হযরত আবু বকর (রা.) তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে খেলাফতের জন্যে হযরত ওমর (রা.)-এর মনোনয়ন প্রসংগে বলেছিলেন, ‘হে আল্লাহ তায়ালা। তুমি সাক্ষী থেকো, আমি তোমার সৃষ্টিকুলের সব চাইতে ভালো মানুষটিকে আমীরের জন্যে বাছাই করেছি’। হযরত ওমর (রা.) আসলেই ছিলেন সৃষ্টিকুলের এক শ্রেষ্ঠ সন্তান। আল্লাহর নবী স্বয়ং বলেছেন, ‘নবীর পর উম্মতের সব চাইতে ভালো মানুষ আবু বকর, আর আবু বকরের পর ওমর।’ রাইসূল মোফাসসেরীন হযরত আবদুল্লাহ বিন আববাস (রা.) বলেছেন, কেয়ামতে মহা বিচারের দিন আল্লাহ তায়ালা প্রথম যে মানুষটির ডান হাতে তার আমলনামা দেবেন তিনি হচ্ছেন হযরত ওমর (রা.)। তার চেহারা তখন এমনি করে জ্বলতে থাকবে যে, দেখে মনে হবে তা সূর্যের কতিপয় আলোকচ্ছটা। এতোটুকু বলার পর আবদুল্লাহ বিন আববাসকে জিজ্ঞেস করা হলো, যে সময় হযরত ওমরের হাতে এই আমলনামা দেয়া হবে, তখন রসূলের চাচাতো ভাই আবু বকর কোথায় থাকবেন? আবদুল্লাহ বিন আববাস (রা.) জবাব দিলেন, তার ব্যাপারে আর কি জিজ্ঞেস করবে? তিনি তো হচ্ছেন সেই
সৌভাগ্যবান ব্যক্তি, যাকে ততোক্ষণে ফেরেশতারা বিনা হিসেবেই বেহেশতে পৌঁছে দেবেন।
এমনি বিরল সম্মানের অধিকারী হযরত ওমর (রা.)-এর ব্যাপারে জানার আগ্রহ আমাদের ইতিহাসের কোনো কালেই কম ছিলো না। সম্ভবত তার মতো অন্য কোনো মানুষের এতো জীবনী গ্রন্থও তাই প্রকাশ লাভ করেনি। প্রকাশিত গ্রন্থের সব কয়জন গ্রন্থকারেরই মত হচ্ছে যে, হযরত ওমর (রা.) ছিলেন ইতিহাসের একজন সার্থক ও ব্যতিক্রমধর্মী নির্মাতা।
দেশে বিদেশে রচিত এই শত শত জীবনী গ্রন্থের মতো সাইয়েদ ওমর তেলমেসানীর ‘শহীদুল মেহরাব ওমর ইবনুল খাত্তাব’ কোনো সাধারণ জীবনী গ্রন্থ নয়। এটি সত্যি সত্যিই একটি ভিন্ন স্বাদের গ্রন্থ। এই গ্রন্থটি হযরত ওমর (রা.)-কে ইতিহাসের পাতা থেকে তুলে এনে তাকে জীবন্ত ওমরের চরিত্র দান করেছে। আমাদের সমাজে প্রচলিত জীবনী গ্রন্থগুলোর পাশে সাইয়েদ ওমর তেলমেসানীর এই বইটিকে নিঃসন্দেহে পাঠকদের কাছে ভিন্নধর্মী একটি উপস্থাপনা মনে হবে। আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেসব জীবনী গ্রন্থের সাথে পরিচিত, তাতে ব্যক্তির জীবনের চাইতে তার জীবনের ঘটনা ও তার দিন তারিখ ইত্যাদিই বেশী প্রাধান্য পায়। সাইয়েদ ওমর তেলমেসানী কিন্তু এই পুস্তকে তা করেননি, ফারুকে আযমের জীবনের বিচিত্র ঘটনাকে অক্ষরের পোশাক পরাতে গিয়ে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। যে জিয়নকাঠির পরশে হযরত ওমর (রা.) অর্ধেক পৃথিবীর চেহারা বদলে দিয়ে এ যমীনের মানুষদের একটি নতুন শাসন ব্যবস্থার সাথে পরিচয় করিয়েছেন এতে তিনি তার বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা পেশ করেছেন। কোন্ সে পরশমনি যা উদ্যত তলোয়ার হাতের এক খুন পিয়াসী সাহসী যুবককে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ একজন খলিফায় পরিণত করলো তাও তিনি দেখিয়েছেন। কোন্ সে যাদু যা অর্ধ পৃথিবীর শাসককে বাধ্য করলো নিজের চাকরকে উটের ওপর বসিয়ে নিজে উটের রশি টেনে উত্তপ্ত মরুভূমি পাড়ি দিতে। কিসের লোভে ভিনদেশী রাজার পাঠানো দূত তাকে রাজ তখতের বদলে খেজুর ছায়ায় শুয়ে থাকতে দেখতে পেলো। সর্বশেষে কোন্ সে বিষয়টি যা হযরত ওমরের মতো একজন সাধারণ আরব বেদুইনকে জ্ঞান বিজ্ঞানের এই শীর্ষ আসনে বসিয়ে দিলো তাও তিনি এখানে নিখুঁত শিল্পীর তুলি দিয়ে অংকন করেছেন।
নবী প্রদর্শিত জীবনধারাকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে হযরত ওমর রাষ্ট্রযন্ত্রের সামনে যে বিজ্ঞানসম্মত কর্মসূচী উপস্থাপন করেছেন তাই পরবর্তীকালে রাষ্ট্র চালনার মূলনীতি হিসেবে পূর্ব পশ্চিমের সর্বত্র স্বীকৃতি পেয়েছে। সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়দীপ্ত ফরাসী বিপ্লবের ঘোষণা ও তার আদলে প্রণীত পরবর্তীকালের গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র সহ যতোগুলো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পৃথিবীর এখানে সেখানে চালু করা হয়েছে তার সব কয়টির সাথেই কোনো না কোনো পর্যায়ে রাষ্ট্রনায়ক ওমরের রাষ্ট্র চিন্তা ও অর্থনৈতিক দর্শনের সম্পর্ক রয়েছে। এ কথাটি শুধু যে আমরাই বলি তাই নয় পশ্চিমী দুনিয়ার বহু রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তাদের লেখনীতে এ কথাটি অকপটে স্বীকার করেছেন। এ দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে মনে হবে ইতিহাস বুঝি শুধু একজন ওমরই জন্ম দিয়েছে।
∎ সাইয়েদ ওমর তেলমেসানী তার এ অনন্য সাধারণ পুস্তকটির মাধ্যমে আমাদের সামনে যে ওমরের চরিত্র অংকন করলেন তিনি শুধু একজন আত্মত্যাগী রাষ্ট্র নায়কই নন, তিনি হচ্ছেন নবী মোহাম্মদ (স.) প্রদর্শিত ইসলামী জীবন বিধান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের একজন প্রথম সারির নেতা। একজন মুসলমান রাষ্ট্র নায়ক কোরআনের ঝান্ডা হাতে নিয়ে শুধু দেশের সীমানাই বিস্তার করেন না, তিনি সে বিস্তৃত ভূ-খন্ডের মানুষদের জীবনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্বও আঞ্জাম দেন। ইখওয়ান নেতা সাইয়েদ ওমর তেলমেসানী ইসলামী আন্দোলনের এ মহান নেতাকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের কর্মীদের সামনে এমনি এক অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে পেশ করেছেন।
বাংলা ভাষা-ভাষী মানুষ যারা এ যমীনটাকে কোরআনের ভূখন্ড বানানোর জন্যে নিরস্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের হাতে এমনি একটি দুর্লভ সম্পদ তুলে দেয়ার প্রকল্পটি আমরা হাতে নিয়েছিলাম বছর দুয়েক আগে, কিন্তু আমাদের তৎকালীন কম্পিউটার অপারেটরের গাফলতির কারণে এক পর্যায়ে আমরা পুরো অনুদিত অংশটিই হারিয়ে ফেলি, পরে এদিক সেদিক থেকে যা কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তাতে আবার অনুবাদজনিত সমস্যার সমাধান করতে অনেক সময় ব্যয় হয়ে গেছে।
আল্লাহ তায়ালার হাজার শোকর, অবশেষে সব বাধা বিপত্তি ডিংগিয়ে ‘শহীদুল মেহরাব হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব’ বইটি প্রকাশিত হলো। অনুবাদ কর্মে সহযোগিতা দিয়েছেন মাওলানা এ বি এম কামাল উদ্দীন শামীম। শেষের দিকে কিছু সহযোগিতা দিয়েছেন মাওলানা লুৎফুর রহমান, আরো যারা নানাভাবে সাহায্য করেছেন আল্লাহ তায়ালা তাদের সবাইকে পুরস্কৃত করুন।
যার অভিপ্রায়ে সাড়া দিতে গিয়ে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা একাধিকবার ওহী নাযিল করেছেন, ফেরেশতাদের আসরে আল্লাহ তায়ালা যে মানুষটির বার বার প্রশংসা করেছেন সেই অকুতোভয় সৈনিক হযরত ওমর (রা.)-এর প্রতি আমার সবটুকু ভালোবাসা নিবেদন করি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যিনি ন্যায়দন্ডের মালিকের একান্ত সান্নিধ্যে মাসজিদের মেহরাবে শাহাদাত বরণ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা তার জন্যে জান্নাতের সব কয়টি দরজা খুলে দিন।
‘আল কোরআন একাডেমী লন্ডন’ বাংলাদেশ সেন্টারের কোরআনের ভুবনে আমি আপনাদের সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ জানাই!
বিনীত হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ ডাইরেকটর জেনারেল রমযানুল মোবারক ১৪২৩ |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭৮
সাইজ: ৬.২ × ৯.২৫ ইঞ্চি কভার: হার্ড কভার প্রিন্ট: সাদা কালো কাগজ: ৫৫ গ্রাম অফসেট ওজন: ০.৬ কেজি |
| অর্ডার করার পর সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে ডেলিভারি প্রদান করা হয়।
ক্যাশ অন ডেলিভারির সুবিধা। (অফিস ডেলিভারি ও হোম ডেলিভারি দু’ব্যবস্থাই রয়েছে) |
| শর্তাবলি:
যদি কোনো পৃষ্ঠা ছেড়া ফাটা থাকে ফর্মা মিসিং হয় কভার উল্টা অথবা ছেড়া হয় এসব ক্ষেত্রে আমরা এক্সচেঞ্জ দিয়ে থাকি। |
![Mahrab New Output [Converted] শহীদে মেহরাব হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)](https://alquranacademypublications.com/wp-content/uploads/2026/02/Mahrab-New-Output-Converted-600x925.jpg)
শহীদে মেহরাব হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)
৳ 220.00
আরব বিশ্বের ইসলামী আন্দোলন ‘ইখওয়ানুল মুসলেমুন’-এর প্রাক্তন মোর্শেদে আম সাইয়েদ ওমর তেলমেসানী রচিত অমর খলীফা হযরত ওমর (রা.)-এর জীবনী ভিত্তিক পান্ডিত্বপূর্ণ একটি বই। এটি ফারূকে আযমের অমর জীবন কথার এক সার্থক অংকন। হযরত ওমরের জীবনের এতোগুলো ঘটনা নিয়ে বাংলা ভাষায় অন্য কোনো বই এ যাবত প্রকাশিত হয়নি।
- Book Author: হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ

![Ampara-1 [Converted] copy আমপারা (সংক্ষিপ্ত আলোচনা: সাইয়েদ কুতুব শহীদ)](https://alquranacademypublications.com/wp-content/uploads/2026/02/Ampara-1-Converted-copy-300x400.jpg)


![Shefa O Rahmat [Converted] আল কোরআন: মোমেনদের শেফা ও রহমত](https://alquranacademypublications.com/wp-content/uploads/2026/02/Shefa-O-Rahmat-Converted-300x400.jpg)
Reviews
There are no reviews yet.